আন্তর্জাতিক সংবাদ : অদ্ভুত যুক্তি নিয়ে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন ভারতের গুজরাট রাজ্যের এক ব্যক্তি৷ তার দাবি স্ত্রীর মুখে দাড়ি রয়েছে৷ স্ত্রীর গলার স্বর পুরুষের মতো। ফলে স্ত্রীর সঙ্গে থাকা তার পক্ষে সম্ভব নয়৷

এমনই আজব অভিযোগ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন আহমেদাবাদের এক ব্যক্তি।

তার দাবি, এই ঘটনার জন্য অবিলম্বে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন মঞ্জুর করতে হবে। আদালত অবশ্য কর্ণপাত করেনি তার দাবিতে।

আহমেদাবাদের আদালতের বিচারক এনএম কারোবাড়িয়ার এজলাসে ওই ব্যক্তি দাবি করেন, বিয়ের আগে তাকে ধোঁয়াশায় রাখা হয় মেয়ের পরিবারের পক্ষ থেকে৷ তারা গোপন করেছিল যে তাদের মেয়ের মুখে লোম রয়েছে। গলার স্বর পুরুষের মতো। তাই বিয়ের আগে পাত্রীর বাড়ির লোক তাকে ঠকিয়েছে বলে আদালতে জানিয়েছিলেন স্বামী।

তার বয়ান অনুযায়ী, তার স্ত্রীর দাড়ি আছে, সেটাও তিনি জানতেন না। ওই ব্যক্তির কথায়, যেহেতু বিয়ের সময়ে তার স্ত্রীর মুখ ঢাকা ছিল তাই তিনি কিছুই জানতে পারেননি। গুজরাটের রীতি মেনে সেই ঢাকা খোলারও প্রয়োজন মনে করেননি তিনি।

তিনি বলেছেন, বিয়ের আগে যখন তাদের দেখা হয় তখন তার হবু স্ত্রী বোরকা পরে ছিলেন। ফলে চেহারা দেখতে পাননি। কারণ তা রীতিবিরুদ্ধ হত।

এই বক্তব্যের জবাবে তার স্ত্রী বলেন, হরমোনগত সমস্যার কারণে তার মুখে কিছু লোম আছে ঠিকই কিন্তু চিকিৎসা করে তা নির্মূল করা সম্ভব।

তার অভিযোগ, স্বামী বিবাহবিচ্ছেদের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন৷ ফলে উল্টাপাল্টা যুক্তি দেখাচ্ছে। এমনকী তাকে বাড়ি থেকে বের করে দিতে উঠে পড়ে লেগেছেন তিনি। বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার জন্য এই আদালতে ডিভোর্সের আবেদন করেছেন তার স্বামী।

ওই নারীর এই জবাবের পরে আদালতে আর আসেননি ওই ব্যক্তি। ফলে ডিভোর্সের সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।

সূত্র: কলকাতা টোয়েন্টিফোর

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY