খেলাধূলা সংবাদ :  পুরনো ক্লাব থেকে বিদায় ও নতুন ক্লাবে স্বাগত জানানোর পর্বও শেষ। আর এরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন এক চিঠি দিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। সেই চিঠিতে হয়তো অনেকের চোখ থেকেই পানি ঝরেছে।

রিয়াল থেকে জুভেন্টাসে।বিদায় মুহূর্তেও বুঝিয়ে দিলেন তিনি আলাদা। কোনও হইচই নয়। রিয়ালের পছন্দমতো কোনও বিদায়ী অনুষ্ঠানও নয়। লম্বা বিদায়ী চিঠিতে রিয়াল এবং তাদের সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন পর্তুগিজ তারকা। লিখেছেন,‘রিয়াল মাদ্রিদ ক্লাব এবং প্রিয় মাদ্রিদ শহরে এতগুলো বছর কাটানো আমার জীবনের সম্ভবত সবচেয়ে আনন্দের সময়। ক্লাব, সমর্থক ও শহরের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। আমার মনে হয় এখন নতুন কিছু চ্যালেঞ্জ নেওয়ার সময় এসেছে। আর সেজন্যই ক্লাবকে অনুরোধ করি আমাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য। এজন্য আমি সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, সবাইকে অনুরোধ করছি, বিশেষ করে ক্লাবের ফ্যানদের বলছি, আমাকে বোঝার চেষ্টা করুন। ৯টা অসাধারণ, অবিশ্বাস্য বছর। যেভাবে এখানে খেলা উপভোগ করেছি, সেটা কখনও ভুলব না। ড্রেসিংরুম এবং মাঠে অসাধারণ কিছু সতীর্থকে পেয়েছি, একইসঙ্গে দারুণ একদল ফ্যানের আবেগও অনুভব করেছি। আজ যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তার জন্য দীর্ঘদিন চিন্তা করেছি। আমি এই শার্টটা ছেড়ে যাচ্ছি। কিন্তু এই সম্মান এবং স্যান্তিয়াগো বার্নাবেউ আমার জীবনের অধ্যায় হয়ে থাকবে। যেদিন প্রথম এখানে এসেছিলাম, সেদিন যা বলেছিলাম আজও তাই বলছি। হালা মাদ্রিদ!’

বিশ্বকাপের পর সেই যে গ্রিসে গিয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, আর ফিরলেন না মাদ্রিদে। গ্রিসে যে হোটেলে সপরিবারে ছুটি কাটাচ্ছিলেন তিনি, সেখানেই মঙ্গলবার সোজা বিমানে করে উড়ে গেলেন জুভেন্তাস প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেয়া অ্যাগনেলি। তখনই স্পষ্ট হয়ে যায়, দলবদল পাকা। তারপরই রিয়াল নিশ্চিত করে দেয়, রোনালদো দল ছাড়ছেন। ট্রান্সফার ফি সাড়ে দশ কোটি পাউন্ড।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY