খেলাধূলা সংবাদ : এক ম্যাচ হাতে রেখেই বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিতে নিয়েছে আফগানিস্তান।দুই ম্যাচেই শোচনীয় পারফরম্যান্স টাইগারদের। প্রথম ম্যাচে ১২২ রানে অল আউটের পর দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১৩৪ রান সাকুল্যে। দুই ম্যাচেই দৃষ্টিকটূ হার।

আফগানদের কাছে হারের এই ধরন কিছুতেই মানতে পারছেন না বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান পাপন। তিনি বলেন,‘আমার কাছে একটা ম্যাচ হারই অনেক বড় ব্যাপার। আমি মনে করি একটা বা তিনটা ম্যাচ হারা সমান। আমরা সিরিজ হেরে গেছি, কিন্তু এই সিরিজে হারের ধরন আমার ভালো লাগেনি।’

সিরিজের শুরুতে আফগানিস্তানের স্পিন বোলিং নিয়ে অনেক কথা হচ্ছিলো। বিশেষ করে স্পিনার রশিদ খান। এই রশিদ খানের বোলিং তোপেই বিধ্বস্ত হয় ব্যাটিং লাইন।

টাইগারদের বাজে ব্যাটিং ব্যাটিংয়ে হতাশ পাপন বলেন,‘এটা ঠিক যে ওদের ভালো বোলার আছে। তবে ভালো বোলার থাকলেই একটা দল জেতে না। একটা উদাহরণ দিচ্ছি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদে রশিদ খান ছিল, সাকিবের মতো এক নম্বর অলরাউন্ডার ছিল। কিন্তু আইপিএলের শিরোপা জিততে পারেনি। প্রতিপক্ষ দলে ভালো বোলার থাকলেই হেরে যেতে হবে? দলের প্ল্যানিংটাই বুঝতে পারছি না আমি। ব্যাটিং হতাশাজনক, তবে বোলিং ঠিক আছে। ওরা ২০০ রান করলে বুঝতাম বোলিংয়ে সমস্যা আছে। ১৮০ রানও তো করতে পারেনি।’

বিসিবি সভাপতি যোগ করেন,‘আফগানিস্তানের বোলিং খুব ভালো। রশিদ খান যে বিশ্বমানের স্পিনার, কেউ অস্বীকার করতে পারবে না। তারপরও ১৫০-১৬০ হবে না এটা কখনও মনে হয়নি। যখনই মনে হয়েছে ব্যাটসম্যানরা সেট হয়ে দলকে বড় স্কোরের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, তখনই তারা উইকেট থ্রো করেছে। সিনিয়র প্লেয়ারদের আউট দেখে মনে হয়েছে তাদের কোনও সমস্যা আছে। আমি যে দলকে চিনি সেটা এই দল নয়।’

গত দুই ম্যাচে সাকিবের অধিনায়কত্বও ভালো লাগেনি পাপনের। বিশেষ করে প্রথম ম্যাচে সাকিবের অধিনায়কত্বে বিরক্ত তিনি। বিসিবি প্রধান বলেন,‘ সাকিবের অধিনায়কত্ব নিয়ে অনেক প্রশ্ন থাকতে পারে। আমিও তাকে প্রথম ম্যাচের পর প্রশ্ন করেছি। আর দ্বিতীয় ম্যাচ দেখে আমার কথা বলতেই ইচ্ছে করেনি।’

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY