মোঃ ইকরাম হোসেন খান মামুন(ষ্টাফ রিপোর্টার)ঃ জামাত,বি,এন,পি’র এজেন্ট ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন সুপরিকল্পিত ভাবে সরকারের ভাবমূর্তী নষ্ট করতে ও নিজে ব্যক্তিগত ভাবে অর্থনৈতিক লাভবান হতে গৌরীপুর উপজেলার ১০ টি ইউনিয়নে তার দেয়া তথ্য মতে চলতি বছরের ২য় ধাপের সর্ব মোট ৩ হাজার ৭ শত শ্রমিকের দৈনিক ২ শত টাকা মজুরীতে ৪০ দিনের কাজ কাগজে,কলমে সৃজন দেখাইয়া ২ কোটি ৯৬ লক্ষ টাকা এবং গত পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে সরকারের অতি দরিদ্রদের জন্য নেয়া ভি,জি,এফ কর্মসূচীর শত শত টন চাউল কালো বাজারে বিক্রি করে আত্নসাৎ করেছে।পি,আই,ও’র ঘুষ ও দূর্নীতির অনুসন্ধানে জানাযায়,দীর্ঘ্য দিন ধরে আলমগীর গৌরীপুরের কিছু অসৎ জনপ্রতিনিধি ও সরকারী কর্মকর্তার যোগসাজসে সরকারের ভাবমূর্তী নষ্ট করে নিজেরা অর্থনৈতিক ভাবে অবৈধ্য পন্হায় বিভিন্ন ভাবে কোটি কোটি টাকা আত্নসাৎ করে আসছে।চলতি বছরের ১ ম ধাপের কর্মসৃজন কর্মসূচীর কোটি,কোটি টাকাও আলমগীর শুধু মাত্র কাগজে কলমে সৃজিত দেখিয়ে কোন কাজ না করেই আত্নসাৎ করে।ফলে উক্ত কোটি,কোটি টাকা আত্নসাৎ এর প্রেক্ষিতে জনপ্রতিনিধিরা নিজেরাই একে অপরের বিরুদ্ধে টাকার ভাগাভাগি নিয়ে কলহে জড়িয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে।এমন কি চেয়ারম্যান রমিজ টাকার জন্য ব্যাংকেই শ্রমিকদের নির্যাতন করে এবং জনতা ব্যাংক ম্যানেজার উক্ত ঘটনার সত্যতা স্বীকারও করেন।অপর দিকে গত পবিত্র ঈদুল অযহা উপলক্ষে সরকারের দেয়া ভি,জি,এফ চাউল কালো বাজারে বিক্রির অভিযোগ পেয়ে সাংবাদিকরা মাওহা ইউনিয়নে সরজমিন তদন্ত করতে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়ে চেয়ারময়্যান রমিজকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সাংবাদিকদের লাঞ্চিত করে।তখনও পি,আই,ও সাংবাদিকদের  অভিযোগ আমলে না নিয়ে ইউ,এন,ও, পি,আই,ও এবং অসৎ জনপ্রতিনিধিরা সবাই ভি,জি,এফ’র চাউল কালো বাজারে বিক্রির বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে নিজেরা দ্বায়িত্ব নিয়ে নিবিঘ্নে ভি,জি,এফ’র চাউল কালো বাজারে বিক্রির সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়।যা তখনকার বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে ফলাও প্রচার ও প্রকাশিতও হয়।বর্তমানেও পি,আই,ও অতীতের ন্যায় কর্মসৃজন কর্মসূচীর কোটি,কোটি টাকা শুধু মাত্র কাগজে কলমে কাজ দেখিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা উত্তেলন করে লুটপাটের মহোৎসব চালাচ্ছে এবং গেল কয়েক দিন আগে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারের দেয়া অতি দরিদ্রদের জন্য ভি,জি,এফ এর চাউল কিছু অসৎ জনপ্রতিনিধির যোগসাজসে শত শত টন চাউল কালো বাজারে বিক্রি করে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নিয়েছে পি,আই,ও আলমগীর।এই যদি হয় সরকারের নেয়া সমাজের কল্যানে গৃহীত পদক্ষেপের সঠিক বাস্তবায়নের অবস্হা তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা গড়বেন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা কি দিয়া???তাই আলমগীরের উক্ত ব্যাপক ঘুষ ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সুষ্ট তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্হা নেয়া একান্তই আবশ্যক ও সময়ের দাবি।ঘুষ খোর ও দূর্নীতিবাজ পি,আই,ও আলমগীরের ঘুষ বানিজ্যের প্রভাব সরকারের সকল সাফল্যকে ম্লান করবে গৌরীপুরবাসী তথা দেশবাসীর এটা কাম্য হতে পারে না।তাই অতি দ্রুত সরকারের সকল সাফল্য ও অর্জনকে জনগনের কাছে সঠিক ভাবে পৌছে দিতে পি,আই,ও আলমগীরের সকল ঘুষ ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহন  এই মূহুর্তেই বিশেষ প্রয়োজন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY