নবদ্বীপ সাহা :  সততা , নিষ্ঠা , আন্তরিকতা, সর্বোপরি , প্রজাতন্ত্রের স্বার্থ সংরক্ষনের দৃঢ়তা থাকলে দুর্নীতি অনিয়ম নামের দুষ্টরাহু গুলোকে পরাভূত করে জনকল্যান প্রতিষ্ঠা করা যে মোটেই দুরাহ নয়। তার প্রকৃষ্ঠ উদাহরণ নাড়ায়নগঞ্জের ঝালকুড়ির আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস । অতীতে সকল দুর্ণীতি আর অনিয়মের বেড়াজাল ছিন্ন করে বর্তমানের অফিসটির সার্বিক কর্মকান্ডে এসেছে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা সর্বস্তরের লোকের ভোগান্তি লাঘব হয়েছে। সব কর্মকান্ড চলছে নিয়ম মাফিক , সুশৃঙ্খল ভাবে। নেই দালালদের দাপট , নেই পাসপোর্ট করতে আসা কারো কোনো ভোগান্তি।সব কিছু চলছে কঠোর নজরদারিতে । এই আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসটি অতীতে ছিল দালালদের কবলে।অফিসের কর্মকর্তা ,কর্মচারীদের যোগসাজসে গঠিত সিন্ডিগেটের মাধ্যমে পাসপোর্ট প্রতি আদায় করা হতো সরকারী রাজস্ব ছাড়াও হাজার হাজার টাকা। এছাড়াও ফিঙ্গার প্রিন্ট থেকে ডেলিভারি পর্যন্ত গ্রাহকদের ছিল নানা ভোগান্তি। এই গুরুত্বপুর্ণ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক হিসেবে যোগদান করে জনাব মোঃ সালেহ উদ্দীন এত অনিয়ম আর দালালদের ডাপট দেখে কিছুটা ভয়কেই যান ।তবে দৃঢ়চেতা ,সৎ ও সরকারী নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এই সহ পরিচালক স্থির মস্তিষ্কের পুঞ্জীভূত এই সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে তা নির্মূলে নেন বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপে । সরকারী নিয়ম নীতি মেনে তিনি ঢেলে সাজান সবকিছু। দালাল ও সুবিধাভোগীদের বিরুদ্ধে নেন জিরো টলারেন্স নীতি। অসৎ অফিস কর্মকর্তা কর্মচারীদের সতর্ক করে দেন দৃঢ়ভাবে। অফিসের কর্মকান্ড শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অফিসময় কাজের তদারকি করেন। কোথাও কোনো অনিয়ম দেখলে সাথে সাথে তা সমাধানের চেষ্টা করেন। পাসপোর্ট আবেদনকারীদের সাথে কথা বলে তাদের সমস্যা মিটিয়ে দেন ।।অফিসে স্থাপিত সিসি টিভিতে অফিসের কার্যক্রম গভীরভাবে পর্যবেক্ষন করে তাৎক্ষনিক ভাবে তা সমাধানের বন্ধবস্ত করেন সহকারী পরিচালক সালেহ উদ্দীন । ।সহকারী পরিচালক সালেহ উদ্দীন জানান “প্রজাতন্ত্রের একজন সেবক হয়ে জনদুর্ভোগ লাঘবে তার ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠা অব্যাহত থাকবে। তিনি এই লক্ষে সকল মহলে ঐকান্তিক সহযোগিতা কামনা করেছেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY