মোঃ মতিউর রহমান রফিক(গৌরীপুর প্রতিনিধি)ঃময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্টান গৌরীপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।অনুসন্ধানে জানাযায়,উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনামূল হক সরকার,পরিচালনা কমিটির সদস্যবৃন্দ ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার যোগসাজসে সরকারের নিয়ম বহিঃভূত টেন্ডার ছাড়াই প্রায় অর্ধ কোটি টাকার অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের নামে লক্ষ,লক্ষ টাকা আত্নসাৎ করেছে প্রধান শিক্ষক,শিক্ষা কর্মকর্তা সহ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পরিষদের সদস্য বৃন্দ।এ ব্যাপারে উক্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষকের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান,আমরা পরিচালনা পরিষদের সিদ্বান্ত অনুযায়ী সঠিক ভাবেই অবকাঠামো উন্নয়ন কাজ করছি।উনার নিকট উক্ত অবকাঠামো উন্নয়ন কাজের প্রায় অর্ধ কোটি টাকার উৎস কি জানতে চাইলে, তিনি বিব্রান্ত কর তথ্য দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান।উল্লেখিত বিষয়ের আলোকে অবকাঠামো বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও পরিচালনা পরিষদের সদস্য নূর মোহাম্মদের নিকট উক্ত অবকাঠামো উন্নয়নের অর্ধ কোটি টাকার উৎস কি জানতে চাইলে তিনি জানান,বিগত দিনে শিক্ষার্থীদের নিকট হইতে আদায় কৃত অর্থই হল উক্ত অবকাঠামো উন্নয়নের অর্থের মূল উৎস।বিষয়টি নিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের নিকট টেন্ডার ছাড়াই প্রায় অর্ধ কোটি টাকার কাজ কি ভাবে করা হচ্ছে বা করার কোন আইনগত সুযোগ আছে কি না ও এই বিপুল পরিমান টাকার উৎসই বা কি এবং শিক্ষার্থীদের নিকট হইতে ষ্টুডেন্ট কালেকশানের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় কতটুকু আইন সম্মত জানতে চাইলে তিনি জানান,বিষয়টি আমি অবগত নই।অভিযোগ পেলে ব্যবস্হা নেয়া হবে।তার এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রশ্ন করা হয় আপনি অত্র উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা হিসাবে সকল শিক্ষা প্রতিষ্টানে সঠিক ভাবে পাঠদান হচ্ছে কিনা এবং সরকারের নিয়ম অনুযায়ী বিদ্যালয় গুলো পরিচালিত হচ্ছে কিনা সেটা দেখা শুনা করা আপনার নৈতিক দ্বায়িত্বও বটে।তাছাড়া গৌরীপুর বালিকা বিদ্যালয়টি আপনার অফিস থেকে মাত্র ১ শত গজ দূরে।তারপরও বিষয়টি আপনার দৃষ্টিতে আসলনা কেন?এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি কোন সঠিক জবাব দিতে পারেন নি!!!উল্লেখ্য যে,উক্ত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়মের ফলে গত ২৮/৬/১৮ ইং তারিখের বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির নির্বাচন আদালতে মামলা সংক্রান্ত জটিলতায় বন্ধ হয়ে যায়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY