স্টাফ রিপোর্টার : জেলার গৌরীপুর সাব রেজিস্ট্রী অফিসের অনিয়ম, দুর্নীতি, ঘুষ বাণিজ্য বর্তমান সময়ের আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনা। প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে গৌরীপুর সাব রেজিস্ট্রার নূরুল আমিন তালুকদার দীর্ঘদিন যাবৎ এসব অপকর্ম পরিচালনা করে আসছেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সব কিছু জেনেও নিরব ভূমিকা পালন করছে। গৌরীপুর সাব রেজিস্ট্রি অফিসের সাব রেজিস্ট্রার নুরুল আমিন তালুকদার ও তার কুকর্মের সহচর অফিস সহকারী ফরিদা পারভীন ও সামান্য নকল নবিশ খায়রুল বাশার। খায়রুল বাশারের দুর্নীতি প্রতিকারহীন ভাবে বেড়েই চলেছে। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জমির ক্রেতা বিক্রেতারা। প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে প্রশাসন। তাদের দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে বর্তমান সময়ে পত্র পত্রিকায় প্রায়শই সংবাদ প্রকাশিত হলেও দুর্নীতিতে আকষ্ট, নিমজ্জিত এই অফিসটি দিনকে দিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সাব রেজিস্ট্রী অফিসের সাব রেজিস্ট্রার নূরুল আমিন তালুকদার ও অফিস সহকারী ফরিদা পারভীন ও নকল  নবিশ খায়রুল বাশারের দুর্নীতি, উৎকোচবাজী এখন ওপেন সিক্রেট ব্যাপার। এ নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোন মাথা ব্যাথা নেই। তাদের এই সব অপকর্মে জিম্মি হয়ে পড়েছে জমি ক্রেতা বিক্রেতারা। সুত্রে জানায়, জমির শ্রেণি, দাগ নম্বর, সিএস আর ও আর পরিবর্তন এ সবই সম্ভব উৎকোচের বিনিময়ে। নুরুল আলম তালুকদার এই অফিসে সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে যোগদানের পর থেকেই দুর্নীতির আখড়া হয়ে উঠেছে এই অফিসটি। সাব রেজিস্ট্রারের নেতৃত্বে অফিস সহকারী ফরিদা বেগম, নকল নবিশ খায়রুল বাশারসহ কয়েকজন মিলে গড়ে তুলেছে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্র। দুর্নীতিবাজ এই সিন্ডিকেটটির অপতৎপরতা, নৈরাজ্য, উৎকোচবাজীর কারণে খুদ অফিসের একটি মহল ক্ষুব্ধ। চাকুরী হারানোর ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চায় না। দুর্নীতিতে সাব রেজিস্ট্রারের পরেই অফিস সহকারী ফরিদা বেগম ও নকল নবিশ খায়রুল বাশারের স্থান। খায়রুল বাশার অবৈধভাবে অর্জিত প্রচুর অর্থের মালিক হয়ে ধরাকে সরাজ্ঞান মনে করে নিজেকে। সাব রেজিস্ট্রারের সহযোগিতায় আপাতমস্তক, দুর্নীতিবাজ নকল নবিশ অত্র অফিসে এই অপকর্ম দীর্ঘদিন যাবৎ পরিচালনা করে আসছেন। সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সাব রেজিস্ট্রার, অফিস সহকারী নকল নবিশ, খায়রুল বাশার নিজেদের সার্থ সিদ্ধিতে বেশি ব্যস্ত। সরেজমিনে জানা যায়, জমির শ্রেণি পরিবর্তনের মাধ্যমে এই সিন্ডিকেট চক্রটি হাতিয়ে নিচ্ছেন কাড়ি কাড়ি টাকা। যা সঠিক তদন্তের মাধ্যমে ভূমি অফিসের রেকর্ডের সঙ্গে যার বড় ধরনের গড়মিল খুজে পাওয়া সম্ভব। এলাকার সুশীল সমাজ, ভূক্তভোগী জনসাধারণ, অনতিবিলম্বে সৃষ্ট বিষয়গুলো সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে সাব রেজিস্ট্রার ও অফিস সহকারীর বদলীসহ দুর্নীতিবাজ খায়রুল বাশারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেন।

 

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY