স্টাফ রিপোর্টার : মনগড়া নানা অজুহাতে ভালুকা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের ঘুষ- বাণিজ্য ‘পাগলা খোড়ার’ মত ছুটে চলেছে। সরকারী নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে জাহাঙ্গীর আলম স্বঘোষিত নিয়মের বেড়াজালে জমির ক্রেতা বিক্রেতাদের জড়িয়ে দুর্নীতির পাহাড় গড়ে তুললেও সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কেবলই নিরব দর্শকের ভূমিকায়। মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ও তার কুকর্মের দোসর অফিস সহকারী মিজানুর রহমান তাদের গঠিত সিন্ডিকেট দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করছেন ভূমি সংক্রান্ত সকল অপকর্ম। জেলা রেজিস্ট্রারের অনেকটা প্রত্যক্ষ মদদেই চলছে এই দুর্নীতি। বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এই সিন্ডিকেট চক্রটি। দিনকে দিন তাদের অনৈতিক চাহিদা বেড়েই চলেছে। জমির দলিল সম্পাদনে বিভিন্ন অজুহাতে বিনা রশিদে নেওয়া হচ্ছে ধার্যকৃত অর্থ। এসবই সরকারী রাজস্বের অতিরিক্ত। ধাপে ধাপে দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ না করলে কোন দলিল সম্পাদিত হয় না। আবার সিন্ডিকেটের দাবিকৃত অর্থ পরিশোধ করে ত্রুটি যুক্ত কাগজে ও দলিল সম্পাদন সম্ভব। ঘুষ ও দুর্নীতির ক্ষেত্রে জাহাঙ্গীর আলমের বৃহস্পতি এখন তুঙ্গে। জমির দলিল সম্পাদন করা ছাড়াও ভালুকার লোভনীয় বন ভূমি ও শিল্প কলকারখানা ভিত্তিক সরকারী খাস জমিও তার হাতের মুঠোয়। এ ছাড়া আছে মুক্তাগাছা উপজেলার সাব রেজিস্ট্রারের অতিরিক্ত দায়িত্ব। মুক্তাগাছায়ও তার বাড়তি আয় কম না। তার অপকর্মের সহযোগী অফিস সহকারী মিজানুর রহমান আগে ময়মনসিংহ জেলা কালেক্টরেটে কর্মরত ছিলেন। সে হিসেবে তিনি অভিজ্ঞ। আইনের ফাঁক ফোকর তার জানা। ভালুকায় যোগ দিয়ে সাব রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম তার মতো একজন দুর্নীতিবাজকে পেয়ে যেন বর্তে গেছেন। দু’জনে মিলে শুরু করেছেন পুকুর চুরি। তাদের এহেন কর্মকান্ডে ইতি মধ্যেই জমির ক্রেতা বিক্রেতাসহ বিভিন্ন মহলে সৃষ্টি হয়েছে ক্ষোভের। জনমনের এই ক্ষোভ ক্রমেই পুঞ্জীভূত হচ্ছে। সময় এখনো আছে। এই ক্ষোভ প্রশমনে দরকার সরকারের উর্ধ্বতন মহলের আশু হস্তক্ষেপ।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY