স্টাফ রিপোর্টার : নান্দাইল সাবরেজিষ্ট্রী অফিসের অফিস সহকারী চন্দনা পন্ডিতের খুঁটির জোর কোথায়? দীর্ঘদিন যাবৎ নান্দাইল অফিসে এ পদে যোগদান করলেও তার বিরুদ্ধে সীমাহীন অভিযোগ থাকলেও অজ্ঞাত কারনে তাকে বদলী অথবা বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছেনা। সে নান্দাইলে যোগদান করার পর অফিস একটি দূর্ণীতির আখড়ায় পরিনত হয়েছে। পূর্বতন ও বতমান সাবরেজিষ্ট্রারকে ম্যানেজ করে সে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকা কামিয়ে নিচ্ছে। দলিল গ্রহীতাদের কাছ থেকে ফিস নেয়ার সময় দু’টি কাগজ ব্যবহার করা হয়। একটিতে সরকারের নির্ধারিত ফিস ও টেবিলের ড্রয়ারে থাকা অপরটি সিরিস্তানামীয় উৎকোচের ফিস। কোন দলিল গ্রহিতা নিজেরা ফিস দিতে চাইলে সে নিতে নারাজ। দলিল লিখকদের মাধ্যমে সে ফিস নিয়ে থাকে যদিও সরকারী নিয়মানুযায়ী দলিল গ্রহীতা নিজেরাই ফিস দেয়ার কথা। গত ২৮ মার্চ/১৭ দূণীর্তি দমন কমিশন থেকে উক্ত অফিসে গন শুনানীকালে
সাবরেজিষ্টার ও অফিস সহকারী চন্দনার বিরুদ্ধে সীমাহীন দূর্ণীতির অভিযোগ প্রমানিত হলেও অশুভ শক্তির কারনে তদন্ত কমিটির রির্পোট আলোর মুুখদেখেনি। ফলে উক্ত অফিসের দূর্ণীতির ক্রমেই বেড়ে চলছে। মনে হয় দেশে ন্যায় বিচার বলতে কিছু নেই। নান্দাইলের জনগন এ দূর্ণীতি থেকে পরিত্রাণ চায়। অবিলম্বে নান্দাইল সাবরেজিষ্ট্রী অফিসের দূর্ণীতি তদন্ত পূর্বক সাবরেজিষ্ট্রার ও চন্দনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY