স্টাফ রিপোর্টার : ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার মোঃ জাহাঙ্গীর আলমের ঘুষ, দুর্নীতি ক্রমেই বেড়ে চলেছে প্রতিকারহীনভাবে। জমির ক্রেতা- বিক্রেতাদের কাছ থেকে সরকারী রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের পাশাপাশি যোগ হয়েছে বনজ ভূমি ও সরকারী খাস জমি ভূমি খেকোদের কাছে সম্পন্ন অনৈতিক ভাবে হস্তান্তর। অভিযোগে প্রকাশ, জাহাঙ্গীর আলম তার কু-কর্মের দোসর অফিস সহকারী মিজানুর রহমানের যোগসাজসে জমির শ্রেণি পরিবর্তনের মাধ্যমে গোপনে ভূমি খেকোদের কাছে সরকারী জমি হস্তান্তর করছেন নতুন ভুয়া দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে। বিনিময়ে লাখ লাখ টাকা আদায় করে চলেছেন। ভালুকায় রয়েছে বনজ ভূমি। আর ময়মনসিংহ জেলার ভালুকাতেই গড়ে উঠেছে ক্ষুদ্র মাঝারি ও বড় ধরনের শিল্প কারখানা। এসব শিল্প কারখানার ধর্নাঢ্য মালিকরা স্বাভাবিকভাবেই তাদের শিল্প কারখানার পরিধি বাড়ানোর জন্য চান অতিরিক্ত ভূমি। এ জন্যই তারা ধর্ণা দেন সাব রেজিস্ট্রারের কাছে। অর্থ লোভী, দুর্নীতিবাজ জাহাঙ্গীর আলম প্রভাবশালী, ধর্ণাঢ্য শিল্প কারখানার মালিকদের সাথে পরামর্শ করে বিপুল অংকের অর্থের বিনিময়ে খাস জমি হস্তান্তর করেন নানা ফন্দি ফিকির করে। শিল্প কারখানার মালিকরা শুধু ধর্ণাঢ্যই নন প্রভাবশালীও বটে। সাব রেজিস্ট্রারের কথামত তারা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে কাগজ তৈরী করে নেন। সাব রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম ও অফিস সহকারী মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে সরকারী বন ভূমি প্রভাবশালীদের কাছে বিপুল অর্থের বিনিময়ে হস্তান্তরের অভিযোগও আছে। অন্তত ভালুকা সাব রেজিস্ট্রারের ঘুষ দুর্নীতির ক্ষেত্রে সরকারী খবরধারী অচল বলে মনে হয়। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো ট্রালারেন্স’ নীতি শুধুমাত্র শ্লোগান। মুক্তাগাছা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রার হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা জাহাঙ্গীর আলমের কু-কর্মের চিত্র ইতিপূর্বে দৈনিক নবকল্যাণসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও প্রশাসন কিন্তু রহস্যজনক ভাবে নিরব দর্শকের ভূমিকায়। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অধিকার অন্তত কারো নেই।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY