বিনোদন সংবাদ : এক সাক্ষাৎকারে বলিউড অভিনেত্রী শ্রীদেবী বলেন, তিনি বিবাহিত পুরুষকে বিয়ে করবেন না। কিন্তু বাস্তবে হল উলটো। নামজাদা চিত্র পরিচালক বনি কাপুরের সঙ্গে তিনি সাত পাকে বাঁধা পড়েন। ৯০-র দশকে বনি কাপুর তাঁর প্রথম পক্ষের স্ত্রী মোনা এবং দুই সন্তান অর্জুন ও অনশুলাকে ছেড়ে চলে আসেন। থাকতে শুরু করেন শ্রীদেবীর সঙ্গে।

এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে শ্রীদেবী বলেন, বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে থাকা বম্বের তুলনায় দক্ষিণ ভারতে অনেক বড় ব্যাপার। তাই তিনি অনন্ত এই বিষয় থেকে দূরেই থাকবেন। কিন্তু, মজার বিষয় ৮০ দশকে শ্রীদেবী এবং জিতেন্দ্রর সম্পর্কের গুজব শোনা যায়। জিতেন্দ্রও তখন বিবাহিত। হিম্মতওয়ালা, জানি দোস্ত এবং জাস্টিস চৌধুরির মতো সুপারহিট সিনেমার পর এই জুটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

জিতেন্দ্রর সঙ্গে সম্পর্কের গুজব প্রসঙ্গে শ্রীদেবী এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “জিতেন্দ্র একজন ভালো মানুষ। শুটিংয়ের প্রথমদিনে তাঁর কাছ থেকে যে সাহায্য আমি পেয়েছিলাম, তা ভোলার নয়। হিন্দি আমার কাছে নতুন ভাষা। আর আমার প্রথম হিন্দি সিনেমা সোলভা শাওনও খুব একটা চলেনি। কিন্তু, এমন সময়েও জিতু জি আমাকে ভরসা ও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছিলেন। এমনকী আমি যাতে সহজে সংলাপ বলতে পারি, সেজন্য তিনি নিজের কমফোর্ট জ়োনের বাইরেও বেরিয়েছেন। তাঁর দয়ালু ও সাহায্য করার মানসিকতা আমাকে আকৃষ্ট করেছিল।”

পরে তাঁদের একই হোটেলের ঘরে থাকার গুজব নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি সাফ জবাব দেন, “কোনওদিনই নয়। আজ পর্যন্ত কোনদিনই আমি জিতুর সঙ্গে হোটেলের ঘরে থাকিনি। আর জিতুও কোনদিন আমার বাড়ি আসেনি। আমি জানি লোকে অনেক খারাপ কথা বলে। কিন্তু, এটাই সত্যি।”

তিনি আরও বলেন, “আমি হতে পারি, তবে বোকা নই। চাতুরিও আমার আসে না। আর মানুষখেকোও আমি নই।”

পরিবারের উপর এই ধরনের গুজবের কী প্রভাব পড়ে তা জানতে চাইলে শ্রীদেবী বলেন, “এটা আমার কাছে নতুন কিছু নয়। এসব পরিস্থিতির জন্য আমি তৈরি থাকি। আমার বাবা-মা যদিও রক্ষণশীল, তবে তাঁরা এই ইন্ডাস্ট্রির ব্যাপারেও ভালো করে জানেন। তাছাড়া, জিতুর সঙ্গে ওদের অনেকবার দেখা হয়েছিল। ওরা জানেন জিতু ভদ্রলোক।”

“এটা ভুল ধারণা যে দক্ষিণ ভারতে দ্বিতীয় বিয়ে খুব স্বাভাবিক ঘটনা। সেখানেও বিবাহিত পুরুষকে বিয়ে করা বা দ্বিতীয় বিয়ে করা সত্যিই বড় ব্যাপার। সবাই এই নিয়ে কথা বলবে। বম্বের থেকে দক্ষিণ ভারতের মানুষরা অনেক বেশি রক্ষণশীল।”

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY