মুক্তাগাছা প্রতিনিধি;
মুক্তাগাছা  আওয়ামীলীগ জেল হত্যা দিবসে ব্যাপক উত্তেজনার মধ্য দিয়ে আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপ পৃথকভাবে জেলহত্যা দিবস পালন করেছে। উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে স্থান পরিবর্তন করে দুই গ্রুপ সমাবেশ ও মিছিল করেছে। আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপের সভা নিয়ে দিনভর শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে ছিল। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সহ পুরো শহর জুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকায় সহিংসতা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে জেল হত্যা দিবসের কর্মসূচি সমাপ্ত হয়।
মুক্তাগাছা থানার সামনে স্থানীয় ডাকবাংলো মাঠে উপজেলা আওয়ামীলীগ জেল হত্যা দিবসের সমাবেশ আহবান করা হয়।এ জন্য মাইকে প্রচার ও মঞ্চ নির্মান সহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে করা হয়। অন্যদিকে একই সময়ে ডাকবাংলো থেকে ২০০ গজ দুরে স্থানীয় পৌরসভা মাঠে আলাদা সভা আহবান করে শহর আওয়ামীলীগ। ২০০ গজের মধ্যে দুই গ্রুপের সভা আহবান করায় আওয়ামলীগ ও শহরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। টান টান উত্তজনা দেখা দেয় দুই গ্রুপের মধ্যে। এ অবস্থায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ম্ক্তুাগাছার ইউএনও সুবর্ণা সরকার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে দুই গ্রুপের সমাবেশের স্থান পরিবর্তন করিয়ে দেন।
স্থানীয় রানা সিনেমা হল সংলগ্ন এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি কেএম খালিদ বাবুর সভাপতিত্বে জেল হত্যা দিবসের সমাবেশ অনু্ষ্িঠত হয়।এতে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি আজিজুল হক ইদু, সাধারন সম্পাদক বিল্লাল হোসেন সরকার,সাবেক সভাপতি আব্দুস সামাদ মাস্টার, সিদ্দিকুজ্জামান সিদ্দিক হুমায়ুন কবির মোল্লা, কৃষক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফ রব্বানী প্রমুখ।
অপরদিকে স্থানীয় শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজ মাঠে শহর আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সুরুজ্জামানের সভাপতিত্বে সমাবেশ শেষে কালো পতাকা বহন করে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের দরিচারআনি বাজার হয়ে আটানী বাজারে গিয়ে শেষ হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট বদর উদ্দিন আহমেদ, উপজেলা আওয়ামীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু তাহের সরকার ছানা মিয়া, শহর আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক এবিএম জহিরুল হক জহির মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার আবুল কাশেম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এডভোকেট ইদ্রিস আলী আকন্দ প্রমুখ। এসময় আতঙ্কে দরিচারআনি বাজার এলাকার ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে দেয়।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY