মোঃ ইকরাম হোসেন খান মামুন: ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহীদুল হক সরকার সরকারের অতি দরিদ্রদের নেয়া ভি,জি,এফ কর্মসূচীর অর্ধেকেরও বেশী চাউল কালো বাজারে বিক্রি করেছে।জানাযায়,গত ১৪ জুন চেয়ারম্যান প্রায় ৬ হাজার ৫ শত স্লিপের চাউল ইউনিয়ন পরিষদ ভবন বাদ দিয়ে গাজীপুর বাস ষ্ট্যান্ডের একটি ঘরে অল্প কিছু চাউল মজুত করে চাউল বিতরন শুরু করে।চাউল বিতরন কালে সরজমিন অনুসন্ধ্যানে দেখা যায়,যেখানে মাথা পিছু প্রত্যেক স্লিপধারী ১০ কেজি চাল পাওয়ার কথা,সেখানে চেয়ারম্যান প্রত্যেক স্লিপধারীকে ৩ থেকে ৫ কেজি হারে চাল দিচ্ছে।কথা হয় স্লিপধারীদের সাথে।তারা বলেন,সরকার গরীবরে যা দিতাছে সেই গুলো চেয়ারম্যান নিজেই তো খেয়ে ফেলছে।এই দেখেন এখানে এক স্লিপের চাল হওয়ার কথা ১০ কেজি কিন্তু এখানে চাল হবে সর্বোচ্ছ ৩ কেজি।এমন অসংখ্য প্রমান পাওয়ার পর চেয়ারম্যান শহীদের মুঠোফোনে ফোন দিয়ে উল্লেখিত ব্যাপারে জানতে চাওয়ার চেষ্টা করলে তিনি প্রথমে ফোন রিসিভ করে সাংবাদিক বুঝতে পেরে ফোন কেটে দেয়।তারপর বার বার তাকে ফোন দিলেও শহীদ আর ফোনই রিসিভ করে নি।পরবর্তীতে বাধ্য হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারহানা করিমকে বিষয়টি মুঠোফোনে অবহিত করলে তিনি তাৎক্ষনিক ঘটনাস্হল পরিদর্শন করে উক্ত বিষয়ের সত্যতা পেয়ে চাল বিতরন বন্ধ করে সরকারী চাউল সরকারের ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে গিয়ে সঠিক ভাবে চাউল বিতরনের নির্দেশ দিয়ে চলে আসেন।এমনবস্হায় চেয়ারম্যান শুধু মাত্র ইউ,এন,ও কে খুশি করতে গাজীপুর বাস ষ্ট্যান্ড থেকে কিছু চাল পরিষদে নিয়ে গিয়ে তার মত করেই চাল বিতরন করে।এখন জনমনে প্রশ্ন,এই যদি হয় চেয়ারম্যান ও ইউ,এন,ও’র সরকারের ভি,জি,এফ কর্মসূচী বাস্তবায়নের ভূমিকা তবে অতি দরিদ্ররা যাবে কোথায়???এত বড় দূর্নীতির পরও ইউ,এন,ও কেন নিলেন না চেয়ারম্যান শহীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্হা???এটাই গৌরীপুরবাসী তথা দেশবাসীর বর্তমান জিঞ্জাসা।এরাই বুঝি গরীবের চাউল চুরি করে গড়বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা!!!মানমীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ ছাড়া আসলেই এদের দ্বারা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা আদৌ গড়া সম্ভব না।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY