(ষ্টাফ রিপোর্টার)ঃ ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা ভূমি
অফিসের অফিস সহকারী মাজহারুলের ঘুষ ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত মোটা
অংকের টাকার বিনিময়ে ধামাচাপা দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে।অনুসন্ধানে
জানাযায়,উক্ত ভূমি অফিসের অফিস সহকারী মাজহারুল দীর্ঘ্য আট বছর ধরে একই
কর্মস্হলে কর্মরত থেকে চাকুরী বিধিমালা লংঘন করে অত্র অফিসকে ঘুষ দূর্নীতির
আতুর ঘরে পরিনত করেছে।এই অফিসে প্রথমেই কোন আবেদন/অভিযোগ জমা দিলেই রেজিষ্টার
ভূক্ত করতে হলে মাজহারুলকে দিতে হয় ২ হাজার টাকা।অন্যতায় বছরের পর বছর ঘুরেও
আবেদন বা অভিযোগ রেজিঃ ভূক্ত করা হয় না।মোটা টাকার বিনিময়ে জাল দলিলে
খারিজ,গভীর রাতে ভূক্তভূগী অসহায় পুরুষ শূন্য পরিবারের মেয়েদের উত্তক্ত
করন,সর্বোপরি মামলার নথি গায়েব সহ অসংখ্য ঘুষ ও দূর্নীতির অভিযোগ রয়েছে
মাজহারুলের বিরুদ্ধে।মাজহারুলের ঘুষ ও দূর্নীতি অনুসন্ধানে কথা হয় তার দ্বারা
নির্যাতিত জনৈক দিন মজুর আঃ মুন্নাফের সাথে।তিনি জানান,আমি একজন দিন মজুর হয়েও
খারিজের জন্য মাজহারুলকে আমার সাধ্যমত টাকা দিয়েছি।আরও বলেছি প্রয়োজনে আপনার
বাড়িতে আমাকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেন।তবুও আমার বৈধ্য কাজটা করে দেন।তাতেও কোন কাজ
হল না।বছরের পর বছর ঘুরে অবশেষে নিরুপায় হয়ে উপজেলা বির্বাহী কর্মকর্তা,অতিঃ
জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ও জেলা প্রশাসকের নিকট মাজহারুলের বিরুদ্ধে ভিবিন্ন
সময়ে লিখিত অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পায়নি।প্রশাসনের সকলের কাছে বিচার না
পেয়ে মাজহারুলের ঘুষ ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগ করি দুূদক,ময়মনসিংহে।এতে
দুদক আমার অভিযোগ আমলে নিয়ে মাজহারুলের সকল ঘুষ ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে বিগত
২৫/৪/১৭ ইং তারিখে গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মাজহারুলের সকল ঘুষ ও
দূর্নীতির তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা গ্রহনের নির্দ্দেশ দেন।কিন্তু
মাজহারুলের ঘুষ বানিজ্যের মোটা টাকার নীচে দুদকের তদন্ত ধামাচাপা
পড়েছে!!!দীর্ঘ্য ১ বছরেরও বেশী সময় অতিবাহিত হলেও ইউ,এন,ও দুদকের দেয়া
মাজহারুলের ঘুষ ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে কোন তদন্ত পূর্বক শাস্তি মূলক ব্যবস্হা
গ্রহন না করায় দিন মজুর মুন্নাফ তার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়ায় এরা সব চোরের দল বলে
অবহিত করে গৌরীপুর তথা দেশবাসীর দৃষ্টি আকর্ষন পূর্বক উল্লেখিত ঘটনার সুষ্ট
তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানান এবং মাননীয়
প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY