আন্তর্জাতিক সংবাদ : মেজরের সুন্দরী বউকে খুন- প্রেম এবং পরকীয়া অনেক নোংরা একটি পর্যায়ে চলে গেছে বর্তমান সময়ে। প্রতিনিয়ত দেশে- বিদেশে ঘটছে পরকিয়ার ঘটনা।

পরকিয়ায় আসক্ত হয়ে স্বামী চলে যাচ্ছে অন্য নারীকে নিয়ে আবার স্ত্রী উধাও হচ্ছে প্রেমিকের হাত ধরে। পরকিয়ায় লিপ্ত হয়ে অনেকের জবীন বিলিয়ে দিতে হচ্ছে। আবার শিকার হচ্ছেন খুনের । এমন একটি ঘটনা ঘটছে ভারতের দিল্লিতে।

জানা গেছে মেজরের স্ত্রী শৈলজার প্রতি দুর্বলতা ছিল মেজর হান্দারের। এমনকি বিয়ের জন্য চাপও দিতেন তিনি। বিয়েতে রাজি না হওয়ায় খুন করেন শৈলজাকে। মেজর হান্দাকে সারাদিন জেরা করার পর এমনটাই জানাল দিল্লি পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে খুনের রহস্য উন্মোচন করে দিল্লি পুলিশ। কল রেকর্ড খতিয়ে পুলিশ জানতে পেরেছে, ওইদিন শৈলজাকে একাধিকবার ফোন করেছিলেন নিখিল হান্দা নামে ওই সেনা অফিসার।

২০১৫ থেকে শৈলজাকে চেনেন নিখিল হান্দা। পরে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। শৈলজার প্রেমে পাগল হয়ে উঠেছিলেন ওই মেজর। বিয়ের জন্য চাপও দেন দিনের পর দিন। কিন্তু শৈলজা তাতে রাজি না হওয়ায় খুন করা হয় বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।

শনিবার সকালেও শৈলজার সঙ্গে নিখিলের কথা হয়েছিল। ওইদিন ফিজিওথেরাপির জন্য আর্মি হাসপাতালে যান শৈলজা। স্বামী মেজর অমিত দ্বিবেদীই গাড়ির ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন।

সেই গাড়িই তাকে হাসপাতালের সামনে নামিয়ে দিয়ে আসে। পরে গাড়ি যখন আনতে যায়, তখন ড্রাইভারকে বলা হয় শৈলজা এদিন থেরাপি নিতেই যায়নি। এর কয়েক ঘণ্টা পরই শৈলজার মৃতদেহ উদ্ধার হয় রাস্তা থেকে।

জানা গেছে, নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে পোস্টিং ছিল মেজর নিখিল হান্দারের। দিল্লির ওই সেনা হাসপাতালে নিজের ছেলেকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন হান্দা, যাতে শৈলজার সঙ্গে দেখা করা সহজ হয়।

মেজর অমিত দ্বিবেদী জানিয়েছেন, তিনি একসময় হান্দার সঙ্গে শৈলজাকে ভিডিও কলে কথা বলতেও দেখেছিলেন। তিনি চাননি দু’জনের মধ্যে কোনও যোগাযোগ থাকুক।

আনুমানিক সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃতদেহ দেখতে পায় স্থানীয়রা। কেন এমন ঘটনা ঘটল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। মৃতদেহটি উদ্ধারের পর ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই ময়নাতদন্তসহ যাবতীয় প্রশাসনিক কাজ সেরে ফেলে পুলিশ।

এ ঘটনার ব্যপারে অজ্ঞাত পরিচয় এক ব্যক্তির ফোন মারফত পুলিশ জানতে পারে যে, এক মহিলার দেহ উল্লিখিত এলাকায় রয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ দেখে যে, মৃতার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন।

এরপর রোববার মেজর হান্দাকে আটক করে পুলিশ। তবে নিহত নারীর লাশে গাড়ির চাপা দেয়া হয়েছে বলে জানান ঘাতক মেজর হান্দা যাতে বুঝতে না পারা যায় তাকে হত্যা করা হয়েছে তিনি দুঘটনায় মারা গেছেন।মেজর হান্দা এখন কারাগারে রয়েছে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY