সারাবাংলা সংবাদ : ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের জনৈক অসহায় কৃষক মশ্রব আলীর ভূমির বোর ধান আদালত অবমাননা করে গৌরীপুর থানার এস,আই শাহজালাল,ইউঃ চেয়ারম্যান শহীদ ও ভূমির পূর্বের দখলদারের যোগসাজসে আত্নসাৎ করেছে।অনুসন্ধানে জানাযায়,অসহায় কৃষক মশ্রব আলী গত ছয় মাস আগে ৩০ শতাংস ভূমি সাফ কাওলা দলিল মূলে ক্রয় করিয়া ভূমি দখল প্রাপ্ত হইয়া বোর ধানের আবাদ করেন।পরবর্তীতে ভূমির পূর্বের দখলদার উক্ত ভূমির ধান কেটে নেয়ার হুমকি দিলে অসহায় কৃষক মশ্রব আলী উল্লেখিত বিষয়ের প্রেক্ষিতে আদালতে মামলা দায়ের করে।আদালত নালিশী ভূমির আইন শৃংঙ্গলা রক্ষায় অফিসার ইনচার্জ গৌরীপুর থানাকে নির্দ্দেশ দেন এবং এসিল্যান্ডকে ভূমির দখল বিষয়ক সহ ভূমির সার্বিক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দ্দেশ দেন।এমনবস্হায় ভূমির বোর ধান কাটার উপযোগী হলে মামলার বাদী মশ্রব আলী আদালতে ধান কাটার অনুমতি চাইলে আদালত তা নামন্জুর করে ওসি কে আইন শৃংঙ্গলা বজায় রাখার নির্দ্দেশ সহ অতি দ্রুত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুনরায় এসিল্যান্ডকে নির্দ্দেশ দেন।আদালতের নির্দ্দেশ অমান্য করে কে বা কাহারা এসিল্যান্ডের প্রতিবেদন দাখিলের আগেই  উক্ত নালিশী ভূমির ধান কেটে ফেললে কৃষক মশ্রব আলী এতে বাধা প্রদান করে পুলিশ ও চেয়ারম্যান শহীদকে বিষয়টি অবগত করে।পুলিশ বিষয়টি অবগত হয়ে এস,আই শাহজালাল ঘটনাস্হলে উপস্হিত হয়ে নালিশী ভূমির কেটে ফেলা ধান থানায় নিয়ে আসতে চাইলে কৃষক মশ্রব আলী এস,আই শাহজালালের নিকট ধানের জব্দ তালিকা চাইলে পুলিশ তা দিতে অস্বীকার করে এবং চেয়ারম্যান শহীদকে ডেকে এনে তার হাওলায় ধান রেখে চলে আসে।চেয়ারম্যান শহীদ এক দিন পর ভূমির প্রকৃত মালিক কৃষক মশ্রব আলীকে জানায়,পুলিশের সিদ্বান্ত মোতাবেক মামলার বিবাদীকে ধান দিয়ে দেয়া হয়েছে।এ ব্যাপারে চেয়ারম্যান শহীদের নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান,পুলিশের নির্দ্দেশে বিবাদীকে ধান দেয়া হয়েছে শহীদের এমন কথার প্রেক্ষিতে এসিল্যান্ডের প্রতিবেদন ও আদালতের আদেশ ছাড়াই কি ভাবে আপনি বিবাদীকে ধান দিলেন প্রশ্নের জবাবে শহীদ বলেন,আমি চেয়ারম্যান। আমার কাছে যা সঠিক মনে হয়েছে তাই করেছি।আমি চেয়ারম্যান আপনি যেই হউন না কেন আমি আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নই।ভূক্তভূগী অসহায় কৃষক মশ্রব আলী আরও জানায়,আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আমি আমার মৌলিক অধিকারের জন্য আদালতে মামলা করলাম আর আদালতের আদেশ অমান্য করে কে বা কাহারা ধান কাটল তার কোন ব্যবস্হা পুলিশ গ্রহন না করে উল্টো পুলিশ,চেয়ারম্যান ও বিবাদীর যোগসাজসে আইনের লোক হয়েও আমার ধান আত্নসাৎ করেছে।বর্তমানে এসিল্যান্ড আদালতে প্রতিবেদন প্রেরন করেছে এবং আমি বাদী মশ্রব আলীই নালিশী ভূমির প্রকৃত মালিক ও দখলদার হিসাবে বোর ধান আবাদ করিয়াছি মর্মে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এখন আদালত যদি আমাকে ধান কাটার আদেশ দেন তাহলে আমি আমার ধান পাব কোথায়?যেখানে রক্ষকই ভক্ষক!

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY