মো. আবু রায়হান, শেরপুর ঝিনাইগাতী প্রতিনিধি:

শেরপুরে শীতের তীব্রতা কমে যাওয়ায় সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে শেরপুর জেলার হাট বাজার গুলিতে প্রঁচুর পরিমাণে সবজি আমদানী বৃদ্ধি পেয়েছে। যে কারণে সবজির মূল্য কমে সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে এসেছে। উল্লেখ্য, গত ১/২ সপ্তাহ পূর্বে সবজির মূল্য যা ছিল তার চেয়ে এখন অর্ধেকে নেমে এসেছে। লাউ, শিম, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, গাজর, মূলা, টমেটো, কুয়াশ, মিষ্টি লাউ, চাল কুমোর, কড়লাসহ বিভিন্ন শাক-সবজি প্রতি কেজি ৫০/৬০ টাকা থেকে বর্তমানে ৩০/৪০ টাকা কেজি করে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এতে কৃষকরাও লাভবান হচ্ছে পাশাপাশি ক্রেতাদেরও ক্রয় ক্ষমতায় মধ্যে আসায় ক্রয় করতে পারছে। প্রকাশ থাকে যে, শেরপুর জেলার ৫টি উপজেলার সিংহভাগ লোক কৃষি ফসলের উপর নির্ভরশীল। তাদের আয়ের একমাত্র উৎস কৃষিজাতপণ্য। তন্মধ্যে ধান-পাট, শাক-সবজি অন্যতম ফসল। এসমস্ত ফসল চাষাবাদ করে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে বাড়তি ফসল বাজারে বিক্রি করে তাদের অন্যান্য চাহিদা পূর্ণ করে থাকে। উল্লেখ্য, অত্র শেরপুর জেলার কৃষকরা বিগত বন্যার ক্ষয়-ক্ষতি কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে ব্যাপক আকারে সবজি চাষাবাদ করেছে। শীত মৌসুমের প্রথম দিকে সবজির ফলন ভাল ছিল। কিন্তু শীতের মাঝামাঝি পর্যায়ে বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রচন্ড শীত ও ঘন কুয়াশায় সবজির কিছুটা ক্ষতি সাধন হয়। এতে সবজি উৎপাদন কিছু ব্যাহত হয়। কিন্তু সবজির বাজার ভাল থাকায় কৃষকরা তা পুষিয়ে নিতে সক্ষম হয়েছে।
এ ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল ও সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, এবছর অত্রাঞ্চলে সবজি বাম্পার ফলন হয়েছে। যদিও শীতের মাঝামাঝি পর্যায়ে বৈরী আবহাওয়ার কারণে সবজির কিছুটা ক্ষতি হলেও বর্তমানে অনূকুল আবহাওয়ার কারণে আবার সবজি উৎপাদন স্বাভাবিক পর্যায়ে চলে এসেছে। তাই বর্তমানে সবজির সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় সবজির মুল্য বাজারে কমতে শুরু করেছে।

 

 

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY