স্টাফ রিপোর্টার : ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা সাব রেজিস্ট্রী অফিসটি এখন ঘুষ দুর্নীতিতে আকষ্ট নিমজ্জিত। সাব রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম ও অফিস সহকারী মিজানুর রহমান জমির ক্রেতা বিক্রেতাদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেও তাদের অনৈতিক কর্মকান্ড রোধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এখন অবধি রহস্যজনক ভাবে নিরব দর্শকের ভূমিকায়। আপাতমস্তক দুর্নীতিবাজ সাব রেজিস্ট্রার জাহাঙ্গীর আলম মুক্তাগাছা সাব রেজিস্ট্রী অফিসে অতিরিক্ত দায়িত্বে কর্মরত। ফলে তার কর্ম ক্ষেত্রেও বিস্তৃত। আর এই সুবাধে তার ঘুষ দুর্নীতির ক্ষেত্রেও বিস্তৃত। জাহাঙ্গীর আলমকে নিয়ে মুক্তাগাছায়ও কম কান্ডকারখানা হয়নি। পত্র পত্রিকায় এসব কাহিনীও ইতিপূর্বে ছাপা হয়েছে। কিন্তু টনক নড়েনি কর্তৃপক্ষের। জাহাঙ্গীর আলম ও তার কু-কর্মের সাথী মিজানুর তাদের ঘুষ, দুর্নীতির মাত্রা আরো বাড়িয়ে দিয়েছেন। সর্বশান্ত হচ্ছে জমির ক্রেতা বিক্রেতারা। জমির দলিল সৃজনে ক্রেতা বিক্রেতাদের সরকার নির্ধারিত টাকার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি টাকা গুণতে হচ্ছে। প্রশ্ন হচ্ছে? সরকারী উর্ধ্বতন মহলের কাজটা কি? সরকারী স্বার্থ না দেখে ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষা কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না। বিষয়টি ভেবে দেখার দাবী রাখে।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY