শিক্ষা সংবাদ :  সুশিক্ষাই উন্নয়নের চাবি।আচরনের পরিবর্তনের নামই শিক্ষা।শিক্ষা আমাদের আত্না ও মনকে বিকশিত করে।নৈতিক আদর্শের ভিত্তি স্হাপন করে।ন্যায় ও অন্যায় বোধকে জাগ্রত করে।পাপ ও পূর্নের মাঝে বিচারের ক্ষমতা প্রদান করে।মানুষকে তীক্ন দৃষ্টি,তীক্ন বুদ্ধি, কর্তব্য নিষ্ট ও ব্যক্তিত্য সম্পন্ন করে গড়ে তুলে।একজন মানুষকে ন্যায় ও সত্যের দিকে ধাবিত করে।সে একজন পরিপূর্ন মানুষ হয়।সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়।সুশিক্ষাই ঠিকসই উন্নয়নের চাবি।অর্থনৈতিক,সামাজিক ও রাজনৈতিক সর্বক্ষেত্রে দেশ উন্নত হয়।এই সত্যটি উপলব্ধি করে সরকার আমাদের সন্তানদেরকে সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন।এই পদক্ষেপ গুলো হল বিনা মূল্যে বই বিতরন,উপবৃত্তি প্রদান,মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান,শিক্ষকদের সম্মান জনক বেতন,ভাতাদি প্রদান,বিদ্যালয় গুলোর অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অর্থ প্রদান এবং শিক্ষকদের বিভিন্ন মেয়াদী প্রশিক্ষন প্রদান ইত্যাদি।
আমরা মনে করি,সরকারের জন কল্যান মূলক পদক্ষেপ গুলো সুশিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টি করছে।শিক্ষার্থীরা কম টাকায় উচ্চতর ডিগ্রী নিতে পারবে।অভিবাভকদের শিক্ষা খরচ কমবে।কিন্তু কোন এক অজানা কারনে,কোথায় যেন শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিদের শিক্ষা বানিজ্য,লোভ,লালসা ও জেনে বুঝে ভূল করা এই পদক্ষেপ গুলোর অন্তরালে কাজ করছে।সুশিক্ষার পরিবেশ তৈরী হচ্ছে না।অভিবাভকগন বলছেন,অতীতের তুলনায় বর্তমানে শিক্ষার খরচ অনেক বেশী বেড়েছে।বিদ্যালয় ও কোচিং গুলোতে ভর্তি,বাৎসরিক চাদা,অবকাঠামো উন্নয়ন, ফরম পূরন,পরীক্ষার ফি,ভর্তি ফরম বিতরন,কোচিং ফি,মাসিক বেতন ও বিবিধ কারনে অতীতের চেয়ে চার গুন বেশী টাকা খরচ হচ্ছে।অথচ সরকার সুশিক্ষার পথকে সুগম করার লক্ষে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।দিচ্ছে অবকাঠামো উন্নয়ন সহ শিক্ষা সামগ্রীর প্রয়োজনীয় অর্থ
বরাদ্ধও।
শিক্ষার্থীরা বলছে কোচিং এ শিক্ষার গুনগত মান বিদ্যালয়গুলোর চেয়ে অনেক ভাল বিধায় তারা কোচিং এ পড়ছে।কোচিং এ অংকের খাতা করে দেয়া হয়।বিষয় ভিত্তিক উন্নত মানের নোট দেয়া হয়।মূল্যায়ন করে যথা সময়ে খাতা ফেরৎ দেয়া হয়।
এতে বুঝা যাচ্ছে,বিদ্যালয়গুলোতে পাঠদানের নামে চালাছে ব্যাপক অনিয়ম,অবহেলা ও শিক্ষা বানিজ্য।কোচিং ও প্রাইভেটের দিকে শিক্ষার্থীদের ঠেলে দিচ্ছে সুপরিকল্পিত ভাবে।কাজ করছে লোভ,লালসা ও শিক্ষা বানিজ্য সরকারের সকল জন কল্যান মূলক পদক্ষেপ গুলোর অন্তরালে।শিক্ষার মূল লক্ষে আঘাত আনছে।সরকারের সুনাম ক্ষুন্ন হচ্ছে,জনপ্রিয়তা হ্রাস পাচ্ছে।তারপরও শিক্ষা বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নেই কোন মনিটরিং ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।তাই সময় এসেছে আমাদের ভূল ও দোষ গুলো কোথায় খুঁজে বের করে কিভাবে সুশিক্ষার
পথকে মূল স্রোত ধারায় ফিরিয়ে আনা যায় সেই লক্ষে সকলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করা।

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY